২০০৮ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সম্পদের বিবরণী দিয়েছিলেন তাতে মিথ্যা তথ্য ছিল। তখন যদি সেই কমিশন হলফনামাটা খতিয়ে দেখতেন তাহলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।
দুদক চেয়ারম্যান
অন্য যেকোনো আসামি আর শেখ হাসিনা দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদকের কাছে সমান। দুদকের আসামি হিসেবে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা মানা হবে। প্রয়োজনে ইন্টারপোলের সহায়তা নেয়া হবে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ নেয়া প্রসঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, কেউ যদি ঘুষ খান তা ভিক্ষার শামিল।